ace444 থেকে একটা গেম নামালাম, আর আমার নাতি-নাতনিরা আমাকে পাগল ভাবছে!
· অফিসিয়াল
আহ, কী দিনকাল পড়লো! ace444-এর কল্যাণে এখন আমিও গেমার!
এই বয়সে এসে ভাবিনি যে মোবাইল হাতে গেম খেলতে বসবো। নাতি-নাতনিরা সারাদিন ফোন নিয়ে কী সব টিপাটিপি করে, আমার তো মাথা ধরে যায়। ওরা বলে, ‘দাদু, গেম খেলো, খুব মজা!’ আমি ভাবি, বাবা রে বাবা, এটা আবার কী খেলবো! কিন্তু সেদিন ace444 ব্রাউজ করতে গিয়ে হঠাৎ একটা মোবাইল গেম চোখে পড়লো, নামটা বেশ মজার ছিল। ভাবলাম, ‘যাক বাবা, দেখি তো কী হয়!’
আমার প্রথম গেমিং অভিজ্ঞতা:
ডাউনলোড তো করলাম ace444 থেকে, কিন্তু গেমটা ওপেন করার পর আমার চোখ কপালে! ছোটবেলায় দেখেছি লুডো-ক্যারাম, আর এখন এটা কী সব রঙচঙে জিনিস! প্রথমে তো বুঝতেই পারছিলাম না কোন বাটনে কী কাজ। একটা কচ্ছপ দৌড়াচ্ছে, তাকে আবার কলা খাইয়ে দিতে হবে – কী অদ্ভুত কাণ্ড!
- প্রথম ধাক্কা: গেমটা শুরু করার পর আমার কচ্ছপটা এক মিনিটের মধ্যেই আউট হয়ে গেল। নাতি এসে দেখলো, ‘দাদু, এটা কী করছো! এভাবে খেলে নাকি!’
- দ্বিতীয় চেষ্টা: ওরা আমাকে শিখিয়ে দিল কিভাবে স্লাইড করতে হয়, কিভাবে জম্প মারতে হয়। আহা রে, এই বয়সে আমাকে আবার নতুন করে পড়াশোনা করতে হচ্ছে!
- হাসির রোল: দু-একবার খেলার পর, আমি যেই না একটু হাত পাকিয়েছি, ওরা হাসতে শুরু করলো। ‘দাদু, তুমি তো দেখছি আমাদের থেকেও বেশি মজা পাচ্ছো!’
- একটু অভ্যাস: এখন আমি প্রতিদিন একটু হলেও খেলি। যদিও এখনো ওদের মতো স্কোর করতে পারি না, কিন্তু এই বুড়ো বয়সে নতুন একটা কিছু শেখার আনন্দই আলাদা। আর সবচেয়ে বড় কথা, নাতি-নাতনিদের সাথে এখন আমার একটা নতুন আলোচনার বিষয় তৈরি হয়েছে।
সত্যি বলতে কী, ace444 না থাকলে হয়তো এই মজার অভিজ্ঞতাটা আমার জীবনে আসতোই না। এখন আমি বুঝি, কেন ওরা সারাদিন গেম খেলে। বুড়ো হয়েছি বলে কি আর মজা করা মানা আছে নাকি! তোমরাও যদি নতুন কিছু চেষ্টা করতে চাও, ace444-এ গিয়ে একবার গেম সেকশনটা দেখে আসতে পারো। কে জানে, হয়তো আমার মতো তোমারও একটা নতুন শখ তৈরি হয়ে যাবে!